সংবাদ লোড হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন।
সাহসী কণ্ঠ লক্ষ্যে আছি,পক্ষে নেইলক্ষ্মী পুজার রাতে স্বামীর হাতে আক্রান্ত গৃহবধূ! স্বামীকে অন্য মহিলার সাথে দেখে ফেলার অপরাধে আক্রান্ত গৃহবধূ!!

যে রাতে ঘরে ঘরে মা লক্ষ্মীর আরাধনায় আলোর উৎসব উদযাপিত হওয়ার কথা, ঠিক সেই পবিত্র রাতেই এক অভাগিনী গৃহবধূর জীবনে নেমে এল ঘুটঘুটে অন্ধকার আর নরকীয় যন্ত্রণার এক ভয়ংকর রাত। বিশ্বাসের পবিত্র আঁচলে আগুন জ্বেলে,পরকীয়ার নির্মম সত্য ঢাকতে নিজের স্ত্রীর ওপর পৈশাচিক কায়দায় চড়াও হলেন এক স্বামী। স্বামীকে অন্য এক নারীর সঙ্গে হাতেনাতে দেখে ফেলার ‘অপরাধেই’ তাঁকে সহ্য করতে হলো অকথ্য ও নিষ্ঠুর অত্যাচার।বিশ্বাসের চরম খেসারত আর দীর্ঘদিনের জমানো ভালোবাসার এমন নিষ্ঠুর পরিণতিতে আজ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে তিল তিল করে মরছেন ওই নারী। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাম্পত্য জীবনের সমস্ত পবিত্রতা ও বিশ্বাসের মর্যাদা ধূলিস্যাত করে স্বামী জড়িয়ে পড়েছিলেন পরকীয়া সম্পর্কে। লক্ষ্মীপুজোর রাতে সেই গোপন সত্য যখন নিজ চোখে দেখে ফেলেন স্ত্রী, তখন তাঁর পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছিল। কিন্তু সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে যাওয়াই যেন তাঁর জীবনে ডেকে আনে কালবৈশাখীর ঝড়। অভিযোগ উঠেছে, ক্ষিপ্ত স্বামী সমস্ত মানবিকতা, সংস্কার ও সম্পর্কের মায়া কাটিয়ে নির্মমভাবে প্রহার করেন তাঁর জীবনসঙ্গিনীকে। চোখের পলকে ভালোবাসার মানুষটিই যেন এক হিংস্র দানবে রূপ নেয়। গৃহবধূর আর্তনাদ, বুকফাটা কান্না কিংবা আকুল মিনতি—কোনো কিছুতেই একটুও গলেনি সেই পাষণ্ড স্বামীর মন। উল্টে আরও হিংস্র হয়ে তাঁর ওপর নেমে আসে পৈশাচিক আক্রমণ।এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় কেবল একটি পরিবারই নয়, স্তম্ভিত ও বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসীও। একজন জীবনসঙ্গীর কাছ থেকে এমন বিশ্বাসঘাতকতা ও জঘন্য শারীরিক নিগ্রহ সমাজের সমস্ত মানবিক মূল্যবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। বর্তমানে হাসপাতালের শীতল বিছানায় শুয়ে অসহ্য শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণায় লড়ছেন ওই নির্যাতিতা গৃহবধূ। প্রিয় মানুষের এমন নিষ্ঠুর রূপ আর নরকীয় আঘাতের স্মৃতি সারাজীবনের মতো পঙ্গু করে দিয়েছে তাঁর বুকভরা ভরসা ও স্বপ্নগুলোকে।